Combinamos desenvolver um jogo de quebra-cabeça, mas o Terceiro Reich? Que história é essa?

Combinamos desenvolver um jogo de quebra-cabeça, mas o Terceiro Reich? Que história é essa?

লেখক: Pequeno C de coração negro
131হাজার শব্দ Palavras
0বার দেখা হয়েছে visualizações
300পরিচ্ছেদ Capítulo

ps: Estrela Azul Paralela (sem história de guerra mundial) (defende o anti-guerra) (ficção para preservar a vida) Cena 1 Grande Federação de Xia, em uma sala de transmissão de jogos. “Pronto, a exp

প্রথম অধ্যায় আমি তো চলচ্চিত্র নির্মাতা, তুমি আমাকে গেম তৈরি করতে বলছ?

পৃথিবীর সমান্তরাল এক নীল গ্রহ, যেখানে কখনো কোনো বিশ্বযুদ্ধ হয়নি, বরং সবাই যুদ্ধবিরোধী। এখানে বড় বড় ফেডারেশনগুলোর মাঝে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রয়েছে। এই শহরের নাম পূর্ব-সমুদ্র। শহরের কেন্দ্রে অনেক উঁচু শক্তি-টাওয়ার দাঁড়িয়ে আছে, আকাশে ড্রোন উড়ছে, সবখানে যুদ্ধবিরোধী স্লোগান, বিজ্ঞাপন ঝুলছে।

জাও মিং জানালার বাইরে তাকিয়ে বিস্ময়ে অভিভূত। হাওয়ার ঝাপটা আসতেই সে ধাতস্থ হল, মনে মনে বিড়বিড় করল, “এটা কি সত্যিই সমান্তরাল পৃথিবী?” কাঁচে নিজের প্রতিবিম্ব দেখে সে আরও বিস্মিত, দুই দুনিয়ার জাও মিং দেখতে এক, নামও এক, এমনকি এই ছেলেটিও এখান থেকে ঝাঁপ দিতে চেয়েছিল। পার্থক্য শুধু, সমান্তরাল দুনিয়ার জাও মিং শেষ মুহূর্তে থেমে গিয়েছিল, আর পৃথিবীর জাও মিং তখন মাটিতে পড়ে গিয়েছিল।

এই দুনিয়ার স্মৃতিগুলো মনে করতে গিয়ে জাও মিংয়ের হাসি পায়। পৃথিবীতে সে সিনেমায় সব টাকা ঢেলে ফকির হয়েছিল। এখানে নিজের সব সম্পদ দিয়ে একটা গেম বানিয়েছে, লক্ষ্য ছিল ছয় ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত যুদ্ধবিরোধী প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া।

এই দুনিয়াকে বলে নীল গ্রহ; বড় বড় ফেডারেশন হলো বৃহৎ গ্রীষ্ম ফেডারেশন, মুক্ত নক্ষত্রদের ফেডারেশন, স্বর্ণচন্দ্র ফেডারেশন, দক্ষিণ মেরু ফেডারেশন, স্লাভ শক্তি ফেডারেশন ও পূর্ব এশিয়া ফেডারেশন। এখানে কোনো দিন বিশ্বযুদ্ধ হয়নি।

গত চারশো বছর আগে এক উল্কাবৃষ্টি নেমেছিল, গ্রহের ভূমি ক্ষতবিক্ষত হয়েছিল, তারপর মানুষের বুদ্ধির এক নতুন দ্বার খুলে যায়। তারা দ্রুত কৃষিকাল থেকে শিল্পযুগে, তারপর নতুন শক্তি আবিষ্কার করে প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ করে। এখন এখানে চুম্বকীয় ট্রেন, ড্রোন, ভার্চুয়াল হেলমেট, শরীর-অনুভূতি চেম্বার—এসব চরম আধুনিক প্রযুক্তি সাধারণ ব্যাপার। ফোটন সুপারকম্পিউটার ক্লাস্টার, যার একেকটি ক্যাবিনেটের ক্ষমতা হচ্ছে ৩৮০ জেড-ফ্লপস, যা পৃথিবীর ২০২৪ সালের মোট কম্পিউটিং পাওয়ারের তিন শত গুণ। এ

📚 আপনার জন্য আরও কিছু

সম্পর্কিত তালিকা